কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬ এ ১১:৩৭ AM

উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: ‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক- ২০২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী

কন্টেন্ট: প্রেস ব্রিফিং

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।


প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে: ‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক- ২০২৫’ বিতরণ অনুষ্ঠানে পরিবেশমন্ত্রী


ঢাকা, ২৬ আষাঢ় (১০ জুলাই ২০২৬ খ্রি.):
উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি ।


মন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।


শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পরিবেশমন্ত্রী।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজজুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।”


তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে। তিনি পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশযোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাঁদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজজুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


উল্লেখ্য, এবার দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক ২০২৫-এ ভূষিত হয়েছেন— জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।


অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত/-
(তোফাজ্জল হোসেন)
জনসংযোগ কর্মকর্তা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৬৭১৫৪৪৭০০
ইমেইল: tofasociobd@gmail.com

ফাইল ১
ফাইল ২
ফাইল ৩

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন